সিঁড়ি নির্মাণকে কেন্দ্র করে গ্রুপিং; দুমকিতে মসজিদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ব্যহত!

মো.সুমন মৃধাঃ দুমকি (পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ
পটুয়াখালীর দুমকিতে মসজিদের সিড়ি নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে নামাজ আদায়, নির্মাণ কাজ বন্ধ ও মানববন্ধন করে একপক্ষ অপর দিকে সংবাদ সম্মেলন করেছেন অন্য পক্ষ।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ রাজাখালী গ্রামের দক্ষিণ রাজাখালী বাইতুল আমান জামে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাওঃ আশরাফ আলী কর্তৃক মসজিদের নির্মাণ কাজ ও নামাজ আদায় বন্ধ ঘোষণা দিয়েছে এ মর্মে মঙ্গলবার (২ আগষ্ট) বেলা ১১.০০ টায় দুমকি নতুন বাজার সংলগ্ন (পটুয়াখালী – বাউফল) সড়কে এলাকার কিছু মুসুল্লিগন এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।
অপর দিকে দক্ষিণ রাজাখালী বায়তুল আমান জামে মসজিদের নির্মাণ কাজ ও নামাজ আদায় বন্ধ শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মানববন্ধনের প্রতিবাদে শুক্রবার (৫ আগষ্ট) সকাল ১০টায় প্রেসক্লাবে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক মাওঃ মোঃ আশরাফ আলী সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
এতে সিকদার বাড়ি ও সর্দার বাড়ির লোকজনের মাঝে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে ও বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহ উপজেলার সর্বত্র সমালোচনার ঝড় বইছে।
মসজিদ নির্মান কাজ বন্ধের অভিযোগ অশিকার করে মাও. আশ্রাফ আলী বলেন, আমি কাজ বন্ধ করি নি। সিকদার বাড়ির লোকজনের বাঁধার মুখে নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যেহেতু একই মসজিদে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামাজ পড়তে হবে। তাই আমি তাদেরকে বলবো সমঝোতার মাধ্যমে নিজেদের ভুলবোঝাবুঝি দূর করে সরেজমিনে পরিদর্শন করে সিঁড়ি নির্মাণের বিষয়টি সমাধান করা যেতে পারে।
এ ব্যপারে মুসুল্লীদের পক্ষ থেকে
অভিযোগকারী মোঃ জলিল সিকদার বলেন, তিনি ( মাও. আশ্রাফ আলী) সাধারণ মুসুল্লিদের নিয়ে বসতে চান না। আর আমরা কাজ বন্ধ করি নি।
এ বিষয়ে শ্রীরামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম সালাম বলেন, আগামী শুক্রবার জুমায় উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. আবুল কালাম আজাদ ও আমি সরেজমিনে পরিদর্শন করে সাধারণ মুসুল্লিদের সাথে পরামর্শের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে মসজিদটি জামে মসজিদে রুপান্তরিত হলে ২০২২ সালের ১৬ রমজান পুনঃ নির্মাণ কাজ শুরু হয়। কিন্তু সিকদার বাড়ির লোকজনের দাবী মসজিদের সিঁড়ি উত্তর দিক দিয়ে হবে। অপরদিকে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক মাও. আশ্রাফ আলী মসজিদের সিড়ি দক্ষিণ দিক দিয়ে হবে বলে দাবী করেন। এতে দু’গ্রুপের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। এপর্যায়ে মসজিদের নির্মাণ কাজ ও নামাজ আদায় বন্ধ হয়ে যায়।
