লালমনিরহাট জেলা পুলিশ সুপার ফেসবুকে নির্যাতনের চিত্র ভাইরাল হওয়া মমিনুলের বাসায় গেলেন

মিজানুর রহমান,লালমনিরহাট প্রতিনিধি।।
লালমনিরহাট জেলা পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া নির্যাতনের স্বীকার মমিনুলের খোঁজ নিতে তার বাড়ীতে গেলেন। পুলিশ সুপার তার চিকিৎসার খোঁজ খবর সহ তাকে নগত অর্থ সহায়তা করেন।
বৃহস্পতিবার ১১জুন সকাল এগারোটায় লালমনির হাট জেলা পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা, সদর উপজেলার চাঁদনি বাজার আবাসনে বসবাসকারী নির্যাতনের স্বীকার মমিনুল ইসলামের বাসায় যান।তার শয্যার পাশে দাঁড়িয়ে তার চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন।মমিনুলের মায়ের হাতে নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তা তুলে দেন।
লালমনিরহাট শহড়ের মিশন মোড় এলাকার ব্যাবসায়ী, সীমান্ত আবাসিক হোটেলের মালিক আশরাফ হোসেন লাল মিয়া গত মঙ্গলবার রাতে তেলের জারকিন চুরির অপরাধে মমিনুল ইসলাম(১৭) নামের এক কিশোর কে অমানবিক ভাবে শারীরিক নির্যাতন করেন।নির্যাতনের সময় পাশে থাকা কেউ মোবাইলে ভিডিও আপলোড করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেয়। ছাড়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে তা ভাইরাল হয়ে যায়,আসতে থাকে নিন্দার ঝড়।বিষয়টি পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানার নজরে আসলে তিনি নির্যাতনকারী দের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যাবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।নির্দেশ পাবার পর কাল বিলম্ব না করে ঐ রাতেই লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহফুজ আলম নির্যাতনকারী আশরাফ আলী লাল মিয়াকে তার বাসা থেকে রাত দুটোয় গ্রেফতার করেন।নির্যাতনের স্বীকার মমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে লালমনিরহাট সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।এজাহারে নির্যাতন কারী ছয়জনের নাম সহ কয়েকজন অজ্ঞাত উল্লেখ করেন।
নির্যাতনে সহযোগী হিসেবে আরো তিনজন কে গ্রেফতার করে আশরাফ আলী লাল মিয়া সহ চারজন কে আদালতে প্রেরন করা হয়।আদালত ভিডিও ফুটেজ দেখে আসামীদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।এ বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে জেলা পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা বলেন,কিশোর মমিনুল নির্যাতন মামলার কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
