লক্ষ্মীপুরে শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রীদেরকে যৌন হয়রানি তদন্তে প্রমাণিত

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চররমনী মোহন ইউনিয়নের করাতির হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক তোফায়েল আহমেদ ছাত্রীদের যৌন হয়রানি করেছেন বলে প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। ভয় দেখিয়ে তিনি অন্তত ৩০ ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করেছেন বলে জানা গেছে।

বুধবার (৪ জুলাই,১৮) দুপুরে তদন্ত কমিটির প্রধান সদর উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্ত ছয়-সাতজন ছাত্রী, অভিভাবক, শিক্ষক ও এলাকাবাসীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেছি। সেখানে অন্তত ৩০ জন ছাত্রীর যৌন হয়রানির প্রমাণ পেয়েছি। এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

মঙ্গলবার (৩ জুন,১৮) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ শাজাহান আলী ওই বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিষয়ে নিশ্চিত হন।

শিক্ষক তোফায়েলের বাড়ি সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের মাছিমনগর গ্রামে। তিন বছর ধরে তিনি উত্তর চররমনী মোহন করাতির হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার পাশাপাশি স্থানীয় হাওলাদার বাড়িতে থেকে পার্শ্ববর্তী মসজিদে ইমামতি করতেন। সকালে তিনি আরবি শিক্ষা ও রাতে শিক্ষার্থীদের পড়াতেন। এই সুবাদে কোমলমতি ছাত্রীদের ভয় দেখিয়ে কৌশলে তাদেরকে যৌন হয়রানি করতেন।ঘটনাটি জানাজানি হবার পর থেকে ওই শিক্ষক পলাতক রয়েছে।