লক্ষ্মীপুরে ডাকাতির ঘটনায় জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে কুশাখালীর প্রবাসী আবদুর জাহেরের পরিবার

সংবাদদাতাঃ

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়নের ঝাউডগী গ্রামে প্রবাসী আবদুর জাহেরের বাড়ীতে বার বার ডাকাতরা হানা দিয়ে পরিবারটির জীবন অতিষ্ট তরে তুলেছে। এই ঘটনার আগে ডাকাতরা ২ বার ডাকাতির চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।

সর্বশেষ গত শুক্রবার  (১৬.১১.১৮) রাত প্রায় দুইটার সময় ডাকাত দল প্রবাসী জাহেরের ঘরে ডুকে ডাকাতির চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে উপর্যূপরী কুপিয়ে ও গলা কেটে তার ছেলে শহীদুল ইসলাম রবিন (১৮) ও তার স্ত্রী রহিমা আক্তার (৩২) কে   হত্যার চেষ্টা করে।

ডাকাত দল ঘরে ডুকলে শোর কিৎকার করায় ডাকাতরা রহিমার ঘাড়ে কোপ দেয় এবং ডান হাতের বাহুতে ধারালো চাকু ঢুকিয়ে দিলে বাহু চিদ্র হয়ে যায় । কুপিয়ে রবিনের হাত, মাথা ও গলা কেটে ফেলায় তার নিশ্চিত মৃত্যুভেবে এবং  তাদের আত্মচিৎকারে আশপাশ থেকে প্রতিবেশীরা বেরিয়ে এলে মাত্র পনের বিশ মিনিটে ঘটনা ঘটিয়ে ডাকাত দল পালিয়ে যায়।

jaudogi

পরে মুমূর্ষ অবস্থায় সিএনজি যোগে তাদের লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষনিক নোয়াখালী সদর হাসপাতালে পাঠায় সে খানে প্রাথমিক কিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিসার জন্য তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজে পাঠায়।

খবর পেয়ে ঘটনার কিছু অল্প পরেই দাসের হাট পুলিশ ফাড়ির একটি টহল দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। রাতে ফাঁড়ি ইনচার্জ মফিজ উদ্দিন ও পরের দিন চন্দ্রগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

পরিবারটির উপর বার বার ডাকাতের আক্রমনে এলাকাবাসী ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। ডাকাতির ঘটনার সাথে জড়িতদের ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে ডাকাতি বন্ধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান।

উল্লেখ্য ঝাউডগী গ্রামটি লক্ষ্মীপুর সদর, নোয়াখালী ও কমলনগর উপজেলার সীমান্তবর্তী ও দুর্গম হওয়ায় প্রায় রাতে চুরি ডাকাতির ঘটনা ঘটে চলেছে। আইনশৃংখলার উন্নতি ও চুরি ডাকাতি বন্ধে আইনশৃংখলা বাহিনীর কঠোর অবস্থান পরিস্থির উন্নতি করতে পারে বলে এলাকাবাসী মনে করেন।