বাঙ্কারে আশ্রয় নিয়েছিলেন ট্রাম্প: ‘দাম্ভিকতার পতনের লক্ষণ’ বলল ইরান

শেখ আল মামুন।।
করোনা মোকাবিলায় ট্রাম্প প্রশাসনের সীমাহীন ব্যর্থতা এবং ভেনিজুয়েলায় ইরানি ট্যাংকারের বিরুদ্ধে বৃথা আস্ফালনের পর এখন পুলিশি হেফাজতে কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে মার্কিন সরকারের অবস্থান নড়বড়ে।
নিউইয়র্ক টাইমস ও দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, গত শুক্রবার বিক্ষোভকারীরা হোয়াইট হাউস ঘেরাও করলে সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা প্রেসিডেন্টকে ভূগর্ভস্থ কক্ষে নিয়ে যান। এর আগে সন্ত্রাসী হামলার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মাটির নিচের ওই বাঙ্কারে নেওয়া হয়। ২০০১ সালে নাইন/ইলেভেনের হামলার সময়ও ভাইস প্রেসিডেন্ট ডিক চেনিকে ওই কক্ষে নেওয়া হয়।
এদিকে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সিনিয়র মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুলফাজল শেকারচি বলেছেন, পুলিশি হেফাজতে কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভকে দেশটির দাম্ভিকতার পতনের লক্ষণ। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের মেরুদণ্ড ভেঙে যাওয়ার ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, দাম্ভিক মার্কিন সরকার মানবাধিকার রক্ষার স্লোগান ভুলে গিয়ে সাধারণ মানুষের বিক্ষোভ দমনে নিজের চরম অমানবিক ও কুৎসিত চেহারা প্রকাশ করে দিয়েছে।
কৃষ্ণাঙ্গ যুবক হত্যার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসা বিক্ষোভকারীদের নৃশংসতম উপায়ে দমন করে আমেরিকা তার সৃষ্ট কথিত গণতন্ত্রের ভিত নড়বড়ে করে দিয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
