পপ সম্রাট আযম খান এর ৯ম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি

শেখ আল মামুন।।

রাজধানীর আজিমপুরে ১৯৫০ সালের ২৮শে ফেব্রুয়ারি জন্ম নেন একজন যোদ্ধা। একজন শিল্পী যিনি অস্ত্রহাতে ঝংকার তুলতেন একাত্তরের রণাঙ্গনে দেশ মাতৃকার টানে।

ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য হিসেবে পাকিস্তানীদের অত্যাচার নির্যাতনের বিরুদ্ধে গণসংগীত প্রচার করা শিল্পী আযম খান ২৫শে মার্চ কালরাতের পর পায়ে হেঁটে পৌঁছেন আগরতলা। সঙ্গী হন তার দুই বন্ধু।

২ নম্বর সেক্টরে খালেদ মোশাররফের অধীনে অস্ত্রহাতে প্রশিক্ষণ নিয়ে ২১ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন “আলাল-দুলাল” খ্যাত এই শিল্পী। গানের মত আলাল ডানে গেলেও দুলাল বামে যায়নি।

কমান্ডারের প্রতিটি নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করা এই যোদ্ধা প্রশিক্ষণ শিবিরে সহযোদ্ধাদের গান শুনিয়ে অনুপ্রেরণা দেয়ার পাশাপাশি বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন করেন নেতৃত্ব দিয়ে।

জাতির এই বীর সন্তানের শিল্পী পরিচয়ের বাইরে আরও একটি পরিচয় আছে। তিনি ভাল ক্রিকেট খেলতেন। ১৯৯১ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত গোপীবাগ ফ্রেন্ডস ক্লাবের হয়ে খেলেছেন প্রথম বিভাগ ক্রিকেটেও।

এছাড়া একাধিক বিজ্ঞাপনচিত্রের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন “ওরে সালেকা, ওরে মালেকা” খ্যাত মহান শিল্পী আযম খান।

দীর্ঘদিন ক্যান্সারে ভুগে ২০১১ সালের ৫ই জুন তিনি আমাদের ছেড়ে পারি জমান না ফেরার দেশে।