দুইদিনের টানা বর্ষণে ফলে পানি বেড়ে মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীর নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

মোঃ সাহাব উদ্দিন,কক্সবাজার প্রতিনিধি।

মহেশখালী মাতারবাড়ী  ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানি বন্দি হয়ে পড়েছে হাজারো মানুষ। তলিয়ে গেছে রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ী, দোকানপাট ও ফসলি জমি। ফলে প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। প্লাবিত এলাকায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।

টানা বৃষ্টিতে মাতারবাড়ী ইউনিয়নের সিকদারপাড়া, উত্তর সিকদার, খন্দারবিল, উত্তর রাজঘাট, দক্ষিণ রাজঘাটের বিলপাড়া, নতুনবাজার, পুরানবাজারের পূর্ব পাশ, বলিরপাড়া, পশ্চিম মিয়ার পাড়া, তিতা মাঝির পাড়া, পূর্ব তিতা মাঝির পাড়া, ফুলজান মোরা, পূর্ব মাইজ পাড়া, মশরফ আলী সিকদার পাড়া, পূব মগডেই, দক্ষিণ মগডেইল, পূর্ব সাইরার ডেইল, মধ্যম সাইরার ডেইলসহ বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়া মাতারবাড়ীর কিছু কিছু এলাকার মাছের ঘের পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভারী বর্ষণে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় ডুবে গেছে সড়ক ফসলি জমি, ঘরবাড়ি ও দোকানপাট। পানিতে তলিয়ে গেছে আউশ ধানের বিস্তীর্ণ বীজতলা। নিম্নাঞ্চলের পানি বন্দি মানুষ গবাদি পশু আর আসবাপত্র নিয়ে কোথায় যাবেন তা নিয়ে চিন্তায় আছেন অনেকই। এছাড়া পানি উঠে পড়ায় অনেক সড়ক দিয়ে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

মাতারবাড়ী ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকার টমটমগাড়ি চালক কাদের বলেন, টানা বৃষ্টিতে লোকজন রাস্তায় একেবারেই কম বের হচ্ছে। তাই ভাড়াও নেই একদম।

নতুনবাজার এলাকার দোকানি কপিল উদ্দীন বলেন, এত বৃষ্টিতে ক্রেতা নেই একেবারেই। ভারীবর্ষনের ফলে বৃষ্টি পানি দোকানে ঢুকে গেছে, তারপরও বাঁধ দিয়ে কোন রকম দোকান খোলে বসে আছি। মাতারবাড়ী ইউনিয়নে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় আজ আমাদের এ অবস্থা।

মাতারবাড়ী ইউনিয়নের অনেকই বলেন, টানা বৃষ্টিতে মাতারবাড়ীর বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে, কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্প কতৃপক্ষ পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থার বাঁধ দিয়ে বন্ধ করায় আজ আমাদের এ অবস্থা। দ্রুত বর্ষার পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার জন্য মাতারবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনুরোধ জানান। না হয় ভবিষ্যতে পুরো মাতারবাড়ী পানি নিচে তলিয়ে যাবে।