লালমনিরহাটে ধরলা নদীর পানি আকষ্মিক বৃদ্ধি পাওয়ায় পূনরায় বন্যার আশংকা

মিজানুর রহমান,লালমনিরহাট প্রতিনিধি।।
ধরলা নদীর পানি আকস্মিক বৃদ্ধি পাওয়ায় লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলায় নতুন করে বন্যার আশংকা দেখা দিয়েছে। নদীর পানি দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাওয়ায় ধরলা নদীর উভয় পাড়ে রাতেই দশ হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়ে।
বুধবার (২২জুলাই) দুপুরের পর থেকে আকস্মিক ভাবে ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে থাকে।ধরলা নদীর তীরবর্তী মানুষ বুঝে উঠবার আগেই বসত বাড়ি,ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যেতে থাকে।ফলে ধরলা পাড়ের মানুষ উদ্বেগ উৎকন্ঠায় রাত্রী যাপন করছেন।
রাত নটায় এই রিপোর্ট লেখা কালীন সময় ধরলা নদীর পানি বিপদ সীমার ৫০ সেন্টি মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।ধরলা নদীর পানি আকষ্মিক বৃদ্ধি পাওয়ায় সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নের চর ফলিমারি, খারুয়া,খাস পাড়া,কুলাঘাট ইউনিয়নের চর বোয়ালমারি,চর খাটামারি,শিবেরকুটি,চর কুলাঘাট, বড়বাড়ি ইউনিয়নের চর বাসুরিয়া, কলাখাওয়া, এলাকার মানুষ নতুন করে পানি বন্দি হয়েছেন।
গত সপ্তাহে জেলার বৃহত্তম নদ নদী তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার লক্ষাধিক মানুষ পানি বন্দি ছিলেন।সপ্তাহের শুরুতে তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি কমতে শুরু করায় বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হতে শুরু করে।উজানে পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টি হওয়ায় ভারত থেকে ধেয়ে আসছে পানি,আজ আকস্মিক ভাবে ধরলা নদীর পানি দুপুরের পর থেকে বাড়তে থাকে।
মৌসুমের শুরুতে কয়েকদফা বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলা করে ধরলা ও তিস্তা পাড়ের মানুষ ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে,এমন সময় নতুন করে আকস্মিক এই বন্যা পরিস্থিতি ধরলা পাড়ের মানুষ দের ভোগান্তিতে ফেলবে।পানি নামতে থাকায় অনেকেই ফসলি জমি চাষ দিয়ে ধান রোপণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন,কেউবা আবার ধান রোপন করেছেন,নতুন করে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ায় কৃষক ক্ষতির সম্মুখীন হবে নতুন করে।
