নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎতের লোডশেডিং , ক্ষোভে ফুঁসছে জেলাবাসী

খোরশেদ আলম শিকদার, নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ
নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎতের মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিং এর ফলে ক্ষোভে ফুঁসছে জেলাবাসী। জেলার সুবর্ণচর ও সোনাইমুড়ী সহ প্রায় সব উপজেলায় বিদ্যুৎতের অনিয়ম যেন এখন নিয়মে পরিনত হয়েছে। রাত দিনে ২৪ ঘন্টায় গড়ে ৫/৬ ঘন্টাও বিদ্যুৎ পাচ্ছেনা গ্রাহকরা।
“শেখ হাসিনার উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ” এই স্লোগানকে হাস্যকর হিসেবে দেখছেন গ্রাহকগণ। এ সকল অনিয়মের জন্য অনেকাংশে দায়িত্বে থাকা ডিজিএম, এজিএম ও ইঞ্জিনিয়ারদের দায়ী করছেন গ্রাহকরা। মাত্রাতিরিক্ত বিল, নতুন লাইন সংযোগে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়া, ভুতুড়ে বিল, লোড়শেডিং এসব অনিয়ম দূর্নীতি এখন সোনাইমুড়ী, চাটখিল সুবর্ণচর সহ  সকল উপজেলায় নিত্যনৈমিত্তক ঘটনা।
এ সব উপজেলায় সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’ সহ বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে বিদ্যুৎতের অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারনে সেবা নিতে আসা রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন বলে সংশ্লিষ্টরা  জানায়, করোনা রোগীদের জন্য বিদ্যুৎ চালিত  ইলেকট্রিক অক্সিজেন নিতে অনেক সময় ঝামেলায় পড়তে হয়। এসব কারণে মৃত্যুর ঝুকিতে পড়ে যান বহু রোগী।
প্রতিদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব অনিয়মের  প্রতিবাদ করে যাচ্ছেন ফেসবুক ব্যবহারকারী অনেকে। ক্ষোভে ফুঁসছে গ্রাহকরা। খোঁজ নিয়ে জানাযায় সুবর্ণচরে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও, অফিসে তালা মেরে প্রতিবাদ করা, ঝাড়ু মিছিলসহ একাধিক কর্মসূচি পালনের ঘোষনা দিচ্ছে গ্রাহকগন। প্রতি মুহুর্তে ফেসবুক জুড়ে এসব প্রতিবাদের ঝড় বইছে । কেউ কেউ মনে করছেন সরকারের সুনাম নষ্ট করতে একটি কুচক্রী মহল দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের যোগসাজশে এসব অনিয়ম করে যাচ্ছে বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্টরা।
সরকার কর্তৃক নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও তার নূন্যতম সেবাও পাচ্ছেনা গ্রাহককরা।
ভুক্তভোগী কয়েকজন গ্রাহক বলেন, আগে আমাদের বিদ্যুৎ বিল আসতো মাত্র ৪/৫ শত টাকা এখন  লোড়শেডিং চলার পরেও প্রতিমাসে বিল আসে দ্বিগুণ তিনগুন।
এ বিষয়ে নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) বলেন, আমরা নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি একাধিক অভিযোগ কেন্দ্র করা হয়েছে, মাইজদী’র মন্নান নগর সহ একাধিক গ্রীড নির্মানাধীন রয়েছে, আসা করছি অতি শিগ্রই এ সকল সমস্যার সামাধান হবে।