অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারীসহ অনিয়ম-দূর্ণীতি ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ

দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া আজিজ আহম্মেদ কলেজের অধ্যক্ষ আহসানুল কবিরের বিরুদ্ধে সীমাহীন অনিয়ম-দূর্ণীতি, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ জাল-জালিয়াতি ও নারী কেলেংকারীর অভিযোগ ওঠেছে।
রবিবার(১৯ জুন) সকালে প্রেসক্লাব, দুমকির হলরুমে জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে কলেজ প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য মুরাদিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মৃত মমতাজ উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদার তার লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেছেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০০৫ সালের ৭মে রসায়ন বিভাগের প্রভাষক পদে নিয়োগ (ইনডেক্স-৩০৭৯৭০৮) নিয়ে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে রেজুলেশন ঘষামাজা করে একই বোর্ডে অধ্যক্ষের নিয়োগ দেখান। এর আগে তিনি পটুয়াখালী সদর উপজেলার ধরান্দি কলেজে রসায়ন বিভাগের প্রদর্শক পদে কর্মরত ছিলেন (ইনডেক্স-৪২১৪৪৩) একই সময়ে দু’টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরীকরাসহ সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তিনি অভিযুক্ত। অপর দিকে অধ্যক্ষ পদে প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের ঘাটতি থাকা এবং স্নাতকোত্তর পাসের পূর্বেই তিনি কিভাবে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পেলেন? বিষয়টি স্পষ্ট, জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ভ‚য়া কাগজপত্রে যোগ্যতা দেখিয়ে বিধিবহিভ‚ত ভাবে অধ্যক্ষ পদে আসীন হয়। অধ্যক্ষের পদ বাগিয়ে নিয়ে পরবর্তিতে কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে সীমাহীন অনিয়ম-দূর্ণীতি, অর্থবাণিজ্য, প্রতিষ্ঠানের অর্থ-তশ্রæফ করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। বিগত ২০২১ সালের ৪নভেম্বর নিয়োগ বাণিজ্যের অভিয়োগে পটুয়াখালীর বিজ্ঞ জজ আদালতে মামলা চলমান আছে । (মামলা নং-১২৭৫/২১ ও ১২৭৬/২১)। অপর দিকে সম্পদশালী হওয়ার পর থেকেই নানা অসামাজিক কর্মকান্ডেও তিনি (অধ্যক্ষ) জড়িয়ে পড়েন। কলেজ সংলগ্ন এলাকায়ও একটি অসমাজিক কর্মকান্ডে ধরা পড়লে টাকার বিনিময়ে তা ধামাচাপা দেয়া হয়। অধ্যক্ষের এরুপ অনৈতিক কার্যকলাপে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যেও বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তিনি ঐতিহ্যবাহি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি রক্ষায় বিধিবহিভর্‚ত নিয়োগের অধ্যক্ষ আহসানুল কবিরের দ্রæত অপসারণসহ দৃষ্টান্তমূলক বিভাগীয় শাস্তির দাবি করেন।
অভিযোগ অসত্য ও ভিত্তিহীন দাবি করে আজিজ আহম্মেদ কলেজের অধ্যক্ষ আহসানুল কবির বলেন, কলেজের পদার্থ বিদ্যা বিভাগের ল্যাবসহকারি পদে জনৈক সামসুন্নাহারের বয়স জটিলতার কারণে চাকুরি দিতে না পারায় তার স্বামী জসিম উদ্দিন হাওলাদার এসব বানোয়াট অভিযোগ এনে তার (আহসানুল কবির) সুনাম ও সম্মান হানি করছেন।