লক্ষ্মীপুরবাসী আধুনিক নৌ-বন্দরের দ্রুত বাস্তবায়ন চায়

নোয়া সংবাদ ডেস্ক: লক্ষ্মীপুরের মজু চৌধুরীর হাটে হচ্ছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ও আধুনিক নৌ-বন্দর। পরিকল্পিত এ বন্দর নির্মিত হলে  এ জনপদের মানুষের জীবনযাত্রার মানের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটবে এবং মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে বেকার সমস্যা সমাধানের পথ তৈরী হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি লক্ষ্মীপুরে এসে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে গেছেন। এতে আনন্দের ঢেউ বয়ে যাচ্ছে মানুষের মনে।

লক্ষীপুরের মজু চৌধুরীর হাট। মেঘনা পাড়ের এ জনপদ দেশের উপকূল অঞ্চলের এক টুকরো শহরও বটে। কৃষি এ অঞ্চলের মানুষের প্রধান পেশা হলেও ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা মৎস্য আহরণেও তাদের রয়েছে সমান পদচারণা। নদীর ভাঙা-গড়ার খেলার সাথে লড়াই করেই, দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন তারা।

স্থানীয়দের আশা, কেবল জীবন যাত্রার পরিবর্তন নয় এ বন্দর প্রসারিত করবে বরিশাল, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোটি মানুষের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ক্ষেত্রও।সৃষ্টি করবে ৪ বিভাগের মানুষের যোগাযোগের সেতুবন্ধন।

তবে কবে নাগাদ শুরু হবে বন্দর নির্মাণের কাজ, তা এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও নৌ মন্ত্রীর আশ্বাস, শুরু হবে শিগগিরিই। লক্ষ্মীপুরবাসীর দাবি,কেবল আশ্বাসের ফ্রেমে বন্দি না থেকে, এ নৌ-বন্দরের দ্রুত বাস্তবায়ন চায় তারা।